শরণখোলার রায়েন্দা কদমতলায় পীর ছোট হুজুর কেবলার মোহসিনিয়া ফোরকানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার বাউন্ডারী দেওয়াল ভাঙ্গা, অর্থ আত্মসাৎ ও মাদ্রাসা কমিটির এক সদস্যকে আহত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদ্রাসার অব্যাহতি প্রাপ্ত পরিচালক ও সেবক মোঃ জাকারিয়া মোল্লার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রায়েন্দা কদমতলায় ছোট হুজুর কেবলার মোহসিনিয়া ফোরকানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা চত্বরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাদ্রাস পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ইসাহাক আলী। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলা হয়, দীর্ঘ দিন যাবৎ মরহুম ছোট হুজুর কেবলার জামাতা পরিচয়ে মোঃ জাকারিয়া মোল্লা নানাবিধ অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন স্থানের দান বাক্সের কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন। মাদ্রাসার নামে জমি জোর জবর দখল করে সেখানে বসতি স্থাপন করে বসবাস করে আসছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের দুর্ণীতির অভিযোগ প্রমাণ পাওয়ায় মাদ্রাসা কমিটি বেশ কিছুদিন আগে জাকারিয়া মোল্লাকে মাদ্রাসার সেবক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি পেয়ে সে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে। এমনকি গত ১৯ অক্টোবর রাতে জাকারিয়া মোল্লা মাদ্রাসার পশ্চিম পাশের একটি দেওয়াল উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভেঙ্গে ফেলেছে। মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর,সদস্য মোঃ হাসানসহ কমিটির কয়েকজন সদস্য দেওয়াল ভেঙ্গে ফেলার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে জাকারিয়া মোল্লা হাসানকে লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করে বলে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন। আহত হাসান বর্তমানে শরণখোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে মাদ্রাসা কমিটির সেক্রেটারী জাফর ইকবালসহ কমিটিরসদস্য ও এলাকাবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে জাকারিয়া মোল্লা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।