বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জে চেক জালিয়াতির মামলায় ১০৯ নং উওর সুতালড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রহিমা আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
বাদির আরজি সুত্রে জানা যায়, মোড়লগঞ্জ উপজেলাধীন তেলিগাতি ইউনিয়নের চোমড়া গ্রামের মৃত কালাম শেখের ছেলে মো: নেওয়াজ শেখের সাথে আসামি রহিমা আক্তারের পুর্ব পরিচয় ছিল। পরিচয়ের সুত্র ধরে আসামি বাদিকে স্বপ্নের দেশ ইতালিতে পাঠানোর স্বপ্ন দেখায় আসামীর এক আত্নীয়ের মাধ্যমে। এ বিষয় তাদের মধ্যে ইতালি যাওয়ার মোট খরচ হিসেবে ১২০০০০ (বার লক্ষ) উভয়ের মধ্যে চুক্তি হয়।যা থেকে বাদি আসামিকে গত ৭ ফ্রব্রুয়ারি ২০২৫ সালে নগদ ৮০০০০০ ( আট লক্ষ) টাকা প্রদান করেন। কথা ছিল বাদিকে আসামি ৩ মাসের মধ্যে ইতালি তার আত্নীয়ের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিবেন এবং যাবার সময় বাদি বাকি টাকা পরিশোধ করিবেন।কিন্তু আসামির সময় শেষ হলেও তাকে বিদেশে পাঠানোর ব্যাবস্হা না করে আজকাল করতে থাকে।পরবর্তীতে বাদি বিদেশ যাবেন না বলে টাকা ফেরত চাইলে আসামি বাদিকে গত ১৩ নভেম্বর ২০২৫ তার নিজ নামীয় জনতা ব্যাংক মোড়লগঞ্জ শাখার ৮ লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করে। বাদি চেকটি বাগেরহাট সোনালী ব্যাংকে জমা দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানান বাদির জমাকৃত চেকের হিসাব নম্বর আসামী আগেই বন্ধ করে রেখেছে।এবং এ মর্মে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাদিকে ডিজঅনার স্লিপ প্রদান করে। বাদি উক্ত চেক ডিজঅনার স্লিপ নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গত ১৮ ডিসেম্বর২০২৫ লিগ্যাল নোটিশ প্রেরন করেন কিন্তু তাতেও আসামি বাদির টাকা ফেরত না দিলে বাদি গত ৯ ফ্রেব্রয়ারী ২০২৬ সালে বাগেরহাট চিপজুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট আমলী আদালতে একটু এন আই এ্যাক্ট ১৩৮ ধারায় চেক জালিয়াতি মামলা দায়ের করেন যার নং সিআর ১০১/২৬। বিচারক মামলা আমলে নিয়ে আসামীর বিরুদ্ধে সমন জারি করলে আসামি কোর্টে আত্মসমর্পণ না করে গা ঢাকা দেয়। আসামীর কোর্টে আত্মসমর্পণ না করায় বিচারক গত ১৫ জুলাই ২০২৬ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।সেই থেকে আসামী আত্মগোপনে রয়েছে। বাদি আক্ষেপ করে বলেন জাতি গড়ার কারিগর শিক্ষক যদি মানুষের কাছ থেকে প্রতারনা করে অর্থ আত্মসাৎ করেন তবে জাতি এমন শিক্ষকের কাছ থেকে কি আশা করেন।আমি আমার সব টাকা যেন ফেরত পাই এমনটাই আশা করেন তিনি।