রায়গঞ্জে সোনাখাড়া ইউনিয়নে টিআর-কাবিটা-কাবিখা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

Date: রবিবার, জুন ২১, ২০২৬
news-banner
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের কলিয়া বাঁশাইল মধুপুর ধলজান উত্তরপাড়া ও ধলজান পাকা রাস্তা থেকে স্কুল অভিমুখী ৫ টি প্রকল্পে অনিয়ম ও নিন্মমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম জিন্নার বিরুদ্ধে। রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ - ২০২৬ অর্থ বছরে অত্র ইউনিয়নের জন্য  ৭৫ লাখ টাকা টি আর ৫০ টন গম কাবিটা ও ৫০ টন চাউল কাবিখা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গ্রামীণ অবকাঠামো  উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের প্রকল্প গুলো সঠিক ভাবে কাজ না করে যেন তেন কাজ শেষ করার পায়তারা করছে।  সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , বাঁশাইল আব্দুল হামিদের বাড়ি থেকে ভূইট কবরস্থান পর্যন্ত  মাটি রাস্তা নির্মানে অনিয়ম। কৃষককের উর্বর জমির মাটি বেকু মেশিন দিয়ে কেটে  ৫ দিনে ২৫ লাখ টাকা কাজ শেষ করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে কাঁচা রাস্তা বৃষ্টিতে ভেঙে আগের অবস্থায় কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। কাঁচা রাস্তা নির্মানে বিষয়ে আমিনুল ইসলাম জিন্নাহ মুঠোফোনে বলেন, ৭৫ লাখ টাকার তিনটি প্রকল্পের মধ্যে এই রাস্তার জন্য বরাদ্দ ২৫ লাখ টাকা। ধলজান চন্দ্র মেম্বারের বাড়ির পাশে ৫০০ মিটার রাস্তার হেয়ারিং বোন ( এইচ বি বি) করণে ইটের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মাঝে। ট্রাক থেকে ইট নামানোর সময় একজন বললেন ১ নং ইট এখন পাওয়া যাচ্ছে না। প্রকল্প গুলোর সভাপতি করা হয়েছে অত্র ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার তাহমিনা আক্তার কে ( তারু)। যে নিজে জানে না কয়টি প্রকল্পের সভাপতি এবং কোথায় কোথায় কাজ চলমান আছে। কলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জিরা পুকুর পযর্ন্ত প্রকল্পের নাম ফলকে কাজের বিস্তারিত উল্লেখ নাই। বাকি  প্রকল্পে নাম ফলক বা  কাজের বিস্তারিত বিররণ দিয়ে  কোন সাইনবোর্ডের ব্যবহারও করা হয় নাই। সোনাখাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ- সভাপতি আমিনুল ইসলাম জিন্নাহ নাম সর্বস্ব নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করে উক্ত প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করছে। কাজের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন  সদুত্তর দিতে পারেননি। রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন পূর্বক অভিযোগ গুলো সমাধান করা হবে,এবং যতটুকু কাজ করবে ততটুকু বিল দেওয়া হবে। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, প্রকল্পে কাজে ফাঁকি দেওয়ার কোন সুযোগ নেই, অনিয়ম হলে  খতিয়ে দেখা হবে।  

Leave Your Comments