পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের টাইয়া গজ গ্রামে ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪বারের নির্বাচিত উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহলের অব্যাহত অপপ্রচার ও মানহানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য বলেন, তেঁতুলিয়া উপজেলা শালবাহান ইউনিয়নের টায়াগঞ্জ গ্রামে গত ২৯ আগস্ট ২ শিশু নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মানববন্ধনে মিথ্যা অভিযোগ তোলা ৪বারের নির্বাচিত সফল তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের সম্মানিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়া'র নাম জড়িয়ে একটি কুচক্রী মহল কর্তৃক গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।
বুধবার (০২সেপ্টেম্বর) সকার ১১টায় তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাব তেঁতুলিয়া উপজেলা শালবাহান ইউনিয়নে টাইয়াগঞ্জ গ্রামে যে শিশু নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে,আমি সেই সময়টাতে গত ১৬ তারিখ আমি ঢাকায় থাকি,সেই সময়টাতে আমি এলাকায় ছিলাম না। এলাকায় না থাকার কারণে তার বাবা-মাকে, বাচ্চার বাবা-মাকে ফোন করে। আমাকে ফোন করাতে আমি তাকে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলি এবং ওসি মহোদয়কেও ফোন করি এবং বাচ্চাটিকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য সহযোগিতা করি ফোনের মাধ্যমে।
কিন্তু পরবর্তীতে আমি অসুস্থ থাকার কারণে, আমি ব্যস্ত থাকার কারণে আমার জানতে পারি যে পরবর্তীতে সে হাসপাতাল থেকে বাচ্চাটাও নিয়ে চলে আসে এবং থানায় একটা সমঝার আবেদন করে আসে, পরিবারের সাথে বোঝাপড়া করে তারপরে মামলা করে।
পরবর্তীতে আবার পক্ষান্তরে ওসি সাহেবের কাছে জানতে পারি যে সে একটা আপসনামা সহ সমঝানামা ওসি মহোদয়ের কাছে দেয়।
এই বিষয়ে আমি টোটালি এবং আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয় ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা— এইটা আপস এবং টাকার বিষয়ে আমি কোনটাই জানি না। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং রাজনৈতিক হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য আমার মানহানিকর একটা পরিবেশ তৈরি করার জন্য গুজব তৈরি করে আমাকে খাটো করা হচ্ছে,আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করা হচ্ছে।
আইনগতভাবে আমি কয়েকটা আইডির বিরুদ্ধে আমি প্রশাসনিকভাবে পদক্ষেপ নিবেন।