নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সু-পরিচিত সুনামধন্য জনপ্রিয় রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট ‘ক্যাসেল রিসোর্টের সুনাম ও মান ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সুশীল সমাজের মহলে বইছে নিন্দার ঝড়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মানসম্মত সেবা, মনোরম পরিবেশ এবং সুস্বাদু খাবারের জন্য ‘ক্যাসেল রিসোর্ট ’ অল্প সময়ের মধ্যেই স্থানীয় ও বহিরাগত পর্যটকদের কাছে একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠেছে অত্র প্রতিষ্ঠানের এই উত্তরোত্তর সাফল্য ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে।
একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে মনগড়া ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করছে, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নিজেদের ফায়দা লুটতে না পেরে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এই মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেকে এই অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীরা জানান, কোনো ভালো উদ্যোগ বা পর্যটন বান্ধব পরিবেশ গড়ে উঠলে একটি মহল সবসময়ই বিষোদগার করার চেষ্টা করে। ‘ক্যাসেল রিসোর্ট এর মতো একটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যাচার শুধু প্রতিষ্ঠানটিরই নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনোদন খাতের জন্য হুমকিস্বরূপ।
রিসোর্ট পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান “আমরা শুরু থেকেই অত্যন্ত সততা ও নিয়মনীতি মেনে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে আসছি।
আমাদের মান ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
একই সাথে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে সর্বসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকার বিশিষ্টজনেরা।