২০২২ এ প্রাথমিক টেট পাস ডি এল এড ঐক্যমঞ্চের আহবানে -জীবন যৌবনের মিছিল

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ

Date: রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬
news-banner
১৯শে আগস্ট বুধবার, ঠিক দুপুর বারোটায় শিয়ালদা স্টেশনে জমায়েত হয়ে, ২০২২ এর প্রাথমিক টেট পাস ডি এল এড ঐকমঞ্চ, শূন্যপদ বৃদ্ধি ও ইন্টারভিউয়ের দাবিতে মহা মিছিল করলেন। এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিলেন। 

দুপুর একটায় শিয়ালদা স্টেশন থেকে মিছিল বের করে কয়েকশ চাকুরী প্রার্থী এসেন ব্যানার্জি রোড ধরে ধর্মতলার দরিনা ক্রসিং হয়ে ওয়াই চ্যানেলে শেষ করেন এবং সেখানে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন। 

বিভিন্ন জেলা থেকে ২০২২ এর চাকুরি প্রার্থীরা আজকের মিছিলে যোগ দেন। মহিলা ও পুরুষ, প্রায় দুইশোর বেশি চাকুর প্রার্থী যোগদান। 

মিছিলের প্রথম ভাগে ছিলেন, বিদেশ গাজী, অদিতি কর্মকার, অর্পণ মুখার্জি, সুভাষচন্দ্র বাগ ও অক্ষয় বর্মন সহ অন্যান্যরা। 

নতুন সরকার ও নতুন মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কয়েকটি দাবি তুলেন, তারা বারবার তৃণমূল সরকারের উপর দোষারোপ করেন, যাহারা তাদেরকে পথে বসিয়েছে, আর টাকার বিনিময়ে চাকরি চুরি করেছে, তাই মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর কোন রাগ নাই , তারা আশাবাদী ভোটের আগে তিনি যে কথাগুলি দিয়েছিলেন ,যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাখবেন।, আমরা এই প্রথম আবার আন্দোলনে নেমেছি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানোর জন্য, চার মাসের সরকার হয়ে গেল, এখনো আমাদের কিছু না করায় আমরা বাধ্য হয়েছি পথে নামতে, আমাদের বয়স একটা করে দিন এগিয়ে চলেছে আর কবে পাব চাকরি, দূর দূরান্ত থেকে ছেলেমেয়েরা বাধ্য হয়েছে আসতে, তাদেরও সংসার আছে, আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের ইন্টারভিউ ডাকা হোক এবং স্কুলে স্কুলে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেয়া হোক, শুধু অন্নপূর্ণা ও আবাস যোজনা নিয়ে থাকলে হবে না, আমাদের দিকেও তাকিয়ে দেখতে হবে। 

আমাদের দাবি ২০২২ এ প্রাথমিক টেট পাস ডি এল এড এর ইন্টারভিউ বঞ্চিত প্রার্থীদের দ্রুততার সহিত ডাকা হোক।

প্রাথমিক শিক্ষক ২০২৫ এর শূন্য পদ বৃদ্ধি করে, অবিলম্বে আমাদের স্কুলে ঢোকানোর ব্যবস্থা করুন। 

চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেল এখনো ইন্টারভিউ শুরু হলো না আর কবে হবে। 

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কাছে আমাদের কাতর আবেদন, আর পারছিনা, এবার আমাদের দিকে একটু দেখুন ও ভাবুন, আমাদের বাবা মায়েরা লক্ষ লক্ষ টাকা খরচা করে দেনা করে আমাদের পড়িয়েছেন, ঋণের বোঝা মাথায় নিয়েছেন, শোধ করতে পারছে না, একটা সূরাহা হলে আমাদের পরিবার বাঁচবে। আমরা বাঁচবো, তা না হলে আগে সরকারের মত আমাদের পথে আন্দোলন করতে হবে। এছাড়া কোন উপায় নাই, চারটি বছর অতিক্রান্ত হতে যায়।

Leave Your Comments