সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বসতবাড়িতে ঢুকে দুই নারীকে মারধর এবং একজনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগের মামলায় নয়কড়ি চন্দ্র ঘোষ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধার দিকে ভুইয়াগাঁতী বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সলঙ্গা থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন মামলার বাদী সজল কুমার ঘোষের দুই বছর বয়সী শিশু সন্তান প্রতিবেশী নয়কড়ি চন্দ্র ঘোষের বাড়িতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সেতু রানী ঘোষের সঙ্গে কল্পনা রানী ঘোষসহ ওই পরিবারের সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সজল কুমার বিষয়টি মীমাংসা করে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে চলে যান। পরে বিকেল ৫টার দিকে কল্পনা রানী ঘোষ, নিপা রানী ঘোষ, নির্মা রানী ঘোষ ও নয়কড়ি চন্দ্র ঘোষ দলবদ্ধ হয়ে সজলের বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় সেতু রানী ঘোষকে মারধর করে চোখে-মুখে আঘাত ও কালশিরা জখম করা হয়। সেতুর চিৎকার শুনে লক্ষ্মী রানী ঘোষ এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় নিপা রানী ঘোষের নির্দেশে কল্পনা রানী ঘোষ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে লক্ষ্মী রানী ঘোষের মাথায় কোপ দেন এতে তাঁর মাথায় গুরুতর কাটা ও রক্তাক্ত জখম হয়।
মাকে রক্ষা করতে সেতু রানী ঘোষ এগিয়ে গেলে নিপা রানী ঘোষ ও নির্মা রানী ঘোষ লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন । পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দুই নারীকে উদ্ধার করে, রায়গঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। ঐদিন রাতেই সজল কুমার ঘোষ ৪ জনকে আসামি করে সলঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আছলাম আলী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নয়কড়ি নামের এক আসামীকে গ্রেপ্তার পূর্বক আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে, বাকী আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।