সিরাজগঞ্জেের রায়গঞ্জ শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে উপজেলার ৯৩ টি পূজামন্ডপে বইছে আনন্দের হাওয়া। দেবী দুর্গার আগমনকে বরণ করে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ১৬ অক্টোবর থেকে শারদীয় দূর্গা উৎসব শুরু হবে ২০ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ উৎসব। প্রতিমা তৈরী ও সাজসজ্জা, মণ্ডপ প্রস্তুত, আলোকসজ্জা এবং পূজার আনুষঙ্গিক আয়োজন নিয়ে এখন সরগরম উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ।
উপজেলার বিভিন্ন মন্দির ঘুরে দেখা যায়, কোথাও প্রতিমায় রং ও অলংকরণের কাজ চলছে, কোথাও মণ্ডপ সাজানো এবং আলোকসজ্জার প্রস্তুতি চলছে পুরো দমে । পূজার নির্ধারিত সময়ের আগেই সব আয়োজন সম্পন্ন করতে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পীরা, আয়োজক কমিটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকেরা। প্রতিটি মণ্ডপেই বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।
দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পূজাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা। পূজামণ্ডপগুলোতে দর্শনার্থীদের আগমন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং উৎসবের নানা আয়োজনে মুখর হয়ে উঠবে জনপদ—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
এদিকে পূজাকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রত্যাশা সবার।
সর্বপরি দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে রায়গঞ্জ উপজেলায় মন্দিরে মন্দিরে এখন শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। প্রতিমার সাজসজ্জা থেকে শুরু করে মণ্ডপের সৌন্দর্যবর্ধন—সব আয়োজনেই ফুটে উঠছে উৎসবের প্রস্তুতি। আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপনের অপেক্ষায় রয়েছেন রায়গঞ্জে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।
রায়গঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার সরকার জানান, এ বছর উপজেলায় মোট ৯৩ টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের জানানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত সদস্যরা তৎপর থাকবে কোন অপীতিকর ঘটনা ঘটবে না এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসানুজ্জামান বলেন, পূজা উদযাপনে মানুষ যেন নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে মাঠে আমাদের স্পেশাল টীম কাজ করবে। র্যাব, পুলিশ, আনসার সদস্যরা আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে মাঠে থাকবে।