খুলনার দাকোপ উপজেলার বাজুয়ায় আসন্ন শ্যামাকালী পূজা উপলক্ষে সনাতন ঐতিহ্য রক্ষা এবং সর্বস্তরের মানুষের বিনোদনের উদ্দেশ্যেসর্বসম্মতিক্রমে একটি উদযাপন ও পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটিতে নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গকে বিভিন্ন দায়িত্ব অর্পণ করা হলো:কমিটিতে পার্থ সাহাকে আহবাহক যুগ্ম আহবাহক অরুন দাস,যুগ্ম আহবাহক প্রসেনজিৎ রায়,সদস্য সচিব সবুজ সরকার
,কোষাধক্ষ্য শামীম হোসেন,সহ কষাধক্ষ্য রাহাত খান,প্রচার সম্পাদক তুষার কান্তি দাস,ও স্বপন কুমার রায়,সাংগঠনিক সম্পাদক প্রীতিশ সরকার,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সনৎ সরকার। বাজুয়া সব্যসাচি ক্লাব ও খুটাখালী অগ্রগামী ক্লাবের আয়োজনে দিপাবলি অনুষ্ঠানে দুদিনব্যাপী নৌকা বাইচ অুনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিন ১৩ নবেম্বর শুক্রবার পুরুষ নৌকা বাইচ ও ২ য় ১৪ নবেম্ভর শনিবার ব্যতিক্রমধর্মী মহিলা নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা হবে বলে আয়োজক কমিটি জানিয়েছেন।এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত থাকার সদয় অবিগতি জানিয়েছেন খুলনা -১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা আমীর এজাজ খান।
দুর্গোৎসবের পর এবার দীপাবলির আনন্দেও মেতে উঠবেন সকলে। এরাজ্যের অনেক বিখ্যাত কালীপুজোর কথা আপনাদের অনেকেরই জানা। এপারের মতো বাংলাদেশের হিন্দুরাও এই সময়ে মেতে ওঠেন মা কালীর আরাধনায়। বাংলাদেশের হিন্দুদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামা পুজো। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামা পুজো বা কালী পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। হিন্দু পুরাণ মতে, কালী দুর্গারই একটি রূপ। সংস্কৃত ভাষার 'কাল' শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালী পুজো হল শক্তির পুজো। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়। কালী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়া-সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।