সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চরকুশাবাড়ী(সবুজ পাড়া) কমিউনিটি ক্লিনিক উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণের কারণে স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বৃষ্টিস্নাত দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, ছাঁদ ও দেওয়াল চুঁয়ে পানিতে অল্প সময়ের মধ্যে মেঝে ভেসে গেল। গর্ভ কালীন সেবা নিতে আসা রুমি খাতুন ও রেখা খাতুন জানান, এই ক্লিনিক থেকে আমরা বিনামূল্যে সেবা পেয়ে থাকি। অত্র ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বরাত আলী বলেন, চরকুশাবাড়ি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এই হাসপাতালের সেবা নিয়ে থাকে।
তাড়াশের ৩৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে সগুনা ইউনিয়নের ৩ টি ক্লিনিকের অবস্থা প্রায় একই।
প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা জনসাধারণের
দৌড়গোড়ায় পৌছে দিতে সবুজপাড়া ক্লিনিক ১৯৯৮ সালে স্থাপিত হয়। এ উপজেলায় ৩৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য ২৭ জন কমিউনিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডার ( CHCP) পদে কর্মরত আছে। অত্র সিসির দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত রনি আহমেদ বলেন, বৃষ্টি হলে আসবাবপত্র ও নিত্য প্রয়োজনীয় ঔষধ ভিজে যায়। ছাদের প্রলেস্তার ঝড়ে পড়ছে। সগুনা ইউনিয়নের সবুজ পাড়া,হিমনগর, সান্ধুরিয়া সিসি ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে। এ দিকে মেডিসিন সংকট তো আছেই ২৭ প্রকারের ঔষধের মধ্যে বর্তমানে ২২ প্রকার ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে। কমিউনিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডাররা ( CHCP) জানান, সাড়ে ৫ মাসের বেতন বকেয়া রইয়ে গেছে। তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন,উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি কমিউনিটি ক্লিনিকের তালিকা মন্ত্রণালয়ের প্রেরণ করা হয়েছে, বরাদ্দ পেলে নতুন করে ভবন নির্মাণ করা হবে।