ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ১০ নং বিসকা ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই দিনে পক্ষে-বিপক্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
১২ জুলাই-২০২৬ ইং তারিখ রোজ রবিবার আকরামুল হক (৪৫)এর হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলায় গুরুতর আহত নূরজাহান (৪৫) নামের এক মহিলা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ(মমেক) হাসপাতালে ১৩ জুলাই-২০২৬ ইং তারিখ রোজ সোমবার দুপুরে মারা যান।
নিহত নূরজাহান উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী এবং আকরামুল হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন আসামি আল-আমিন মাষ্টারের মা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে,গত ১২ জুলাই (রবিবার)দুপুরে উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের খিচা মনাটি পাকা রাস্তা এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আকরামুল হককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ স্বজনরা প্রধান সন্দেহভাজন আল-আমিনের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় আল-আমিনের মা নূরজাহান ও তার স্ত্রী গুরুতর আহত হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় নূরজাহানকে সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ জুলাই-২০২৬ ইং তারিখ রোজ সোমবার দুপুরে তিনি মারা যান।
উক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতে তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুর রাশিদ জানান, আকরামুল হক হত্যাকাণ্ডের পরপরই প্রধান সন্দেহভাজন আসামি আল-আমিন মাষ্টারের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আল-আমিনের স্ত্রী ও মা নূরজাহান আহত হন। মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত নূরজাহানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ(মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান সোমবার মারা যান।
তিনি বলেন,জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে পরস্পরবিরোধী দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই দিনে দুইজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।নিহত নূরজাহানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় পৃথক কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে আকরামুল হত্যা ও পরবর্তী হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।