গঙ্গাচড়ায় দৈনিক অনলাইন বাংলা নিউজ পোটালে সংবাদ প্রকাশের পর তিন প্রকল্পে ক্রিড়া সামগ্রী ও হুইল চেয়ার বিতরণ

গঙ্গাচড়া রংপুর প্রতিনিধিঃ

Date: শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
news-banner
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে ক্রীড়া সামগ্রী ও হুইল চেয়ার বিতরণের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় তিনটি প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪২ টাকা। নথিতে এসব প্রকল্পের অর্থ ব্যয় দেখানো হলেও মাঠপর্যায়ে এখনো ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ না করায় দৈনিক অনলাইন বাংলা নিউজ পোটালে
 গত ১০ আগস্ট অনিয়মের সংবাদ পর তড়িঘড়ি করে ১১ আগস্ট বিকেলে উপজেলা মাল্টি পারপাস হল রুমে ক্রীড়া সামগ্রী, ও হুইল চেয়ার বিতরণের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী এম,পি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তার এসময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। 

অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সরকারি অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে জনগণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। 

গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদের বরাদ্দসংক্রান্ত তথ্য সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণে এডিপি সাধারণ পিআইসি ও রাজস্ব উন্নয়ন স্থানান্তরিত পিআইসি এই দুই খাতের তিনটি প্রকল্প রয়েছে। এডিপি সাধারণ পিআইসি খাতের আওতায় রয়েছে একটি প্রকল্প। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য বিভিন্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফুটবল ও হ্যান্ডবল বিতরণ প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪২ টাকা। অন্যদিকে রাজস্ব উন্নয়ন স্থানান্তরিত পিআইসি খাতের আওতায় রয়েছে দুটি প্রকল্প। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে বিভিন্ন দাখিল মাদ্রাসায় ফুটবল বিতরণ প্রকল্পে বরাদ্দ ২ লাখ টাকা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ প্রকল্পে বরাদ্দ ২ লাখ টাকা। অর্থাৎ, দুই খাতের তিন প্রকল্পে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের জন্য মোট বরাদ্দ ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪২ টাকা।

উপজেলা প্রকৌশলী জয়া স্যানাল এর জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি কিছু দিন হল এসেছি এ প্রকল্পের অর্থ এবং ব্যায় বিষয়ে আমি জানিনা। 
ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন আমিও ইউএনও অফিসের আব্দুল কুদ্দুসসহ ফুটবল, ভলিবল ও নেট ক্রয় করেছি কত টাকায় কতটি বল ক্রয় করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলে ওগুলো বিল ভাউচারে উল্লেখ আছে আমার জানা নাই  

একই কথা প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি সদস্য রত্না বেগম বলেন। 
তিনি আরো বলেন ইউনুস স্যার স্বাক্ষর করতে বলছে এজন্য আমি আরো বলেন ইউ এন ও স্যার আমাকে স্বাক্ষর করতে বলেছে এজন্য আমি থাপ্পর করাইছি। 
 পরে জাতেপারি এই প্রকল্পের টাকা দিয়ে ১৭ টি হুইল শেয়ার করায় করা হয়েছে। 

 অর্থবছর শেষ হওয়ার পরও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ না হওয়ায় সচেতন মহলের প্রশ্ন উঠছে,বরাদ্দের অর্থের বিপরীতে ক্রীড়া সামগ্রী এতদিন বিচরণ করা হলো না কেন  
এ ব্যাপারে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম- কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে ইউএনও স্যার ক্রীড়া সামগ্রী ও হুইল চেয়ার কেনার জন্য দায়িত্ব দিয়েছিল এজন্য কিনেছি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তার এর কাছে প্রকল্পের ক্রীড়া সামগ্রী ও হুইলস এর বিতরণ দেরি হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন সদ উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান।

Leave Your Comments