সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ব্রহ্মগাছা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। তথ্যসূত্রে জানাযায়, ইতিমধ্যে রায়গঞ্জ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানদের নিকট থেকে ১০ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করেছেন । ৯ জন প্যানেল চেয়ারম্যানের প্রতিনিধিত করতে সভাপতি পদে আসিন হন। সংগঠনের মাধ্যমে জোট গঠন করে শুরু করেন চাঁদাবাজি। ৮ পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানদের নিকট থেকে ১০ হাজার টাকা করে ৭৯ হাজার টাকা চাঁদা তুলেছেন আব্দুর রাজ্জাক । ব্রহ্মগাছা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান লিটনের সাথে আঁতাত করে নিজ স্বার্থ হাসিল করতেন। প্রেক্ষাপট পরিবর্তনে পর আইনের তোয়াক্কা না করে ১ নং প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদকে বাদ দিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নিজেই হয়ে যান ১ নং প্যানেল চেয়ারম্যান। বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা জানান আব্দুর রাজ্জাকের বিগত দিনে বিএনপির মিছিল আন্দোলন সংগ্রামে তাঁর উপস্থিত ছিল না। চাঁদা তোলার বিষয়ে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল জাব্বার বলেন,
আব্দুর রাজ্জাক বিভিন্ন খরচের কথা বলে আমার কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা নিয়েছেন। ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাই জানান, তিনি আমার নিকট থেকেও ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে ব্রহ্মগাছা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।